আমার দেখা চীনা শহর
মোঃ খাইরুল ইসলামঃ চায়নাতে এসেছি প্রায় চার বছর হলো।
এই চার বছরে কয়েকটা শহরে বিভিন্ন কাজে এবং ঘোরাঘুরির উদেশ্যে যাওয়া হয়েছে।
বন্ধুমহল প্রায়শই জানতে চায় শহর কিংবা মানুষগুলো কেমন? অনেকে আবার উৎসুক মনে প্রশ্ন করে বসে, ওরা কি সর্বদা লতা-পাতা, পোকামাকড় খেয়ে কাটায়?
এরই ধারাবাহিকতায় আজ কিছু শহরের বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করলাম। যে শহরগুলোতে আমি গিয়েছি শুধুমাত্র সেগুলোর কথাই লিখছি।
চায়নার সবজায়গায় মোটামুটি এরা ভাত আর রুটি খায়। ভাতটা আমাদের মতই কিন্তু রুটি গুলো স্হানভেদে ভিন্ন। মাংস বললে প্রথমে আসে শূকর। এটা এদের খুব প্রিয়। এছাড়াও ছাগল, ভেড়া, গরু সবই পাওয়া যায়। এদের বিভিন্ন এলাকার মানুষ বিভিন্ন খাবার খায়। খাবারের ক্ষেত্রে এরা সব খায়। এদের কাছে কোনো কিছু অরুচি নেই। কিন্তু পোকামাকড় কিংবা লতা-পাতার বিষয়টি পুরোটাই বানোয়াট।
১. হুয়াইয়ানঃ এই শহরেই আমার দ্বিতীয় নিবাস। এখানেই আমি থাকি। শহরটা অনেক ছোট, সবগুলোই হাতের নাগালে। জীবনযাত্রার মান অনেক ভাল। এখানে খাবারগুলোর দাম তুলনামূলক কম। শহরটা ছোট হওয়ায় অনেক পরিষ্কার-পরিছন্ন, ট্রফিক জ্যাম নেই, জনসংখ্যা কম। রাত ৮ টার পর রাস্তাগুলো ফাঁকা। রাতে বের হলে খুব ভাল লাগে। খাবার খুব উন্নত বা নিম্ন মানের না, তবে মধ্যম। বাড়ির দাম অন্য শহরগুলোর তুলনায় কম। একথায় মধ্যবিত্তদের জন্য জমে ক্ষীর। একটাই সমস্যা, এখানে কোনো দর্শনীয় স্হান নেই।
২. নানজিংঃ আমি যে
BCYSA.ORG এর নিউজ-এ আপনিও লিখতে পারেন। গণচীনে প্রবাস জীবনে আপনার অভিজ্ঞতা, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের খবরাখবর, আনন্দ-বেদনার গল্প, স্মৃতিচারণ, ভ্রমণ, অনুভূতি, বিশেষ অনুষ্ঠানের প্রতিবেদন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক খবর ছবিসহ আমাদের (বাংলা অথবা ইংরেজিতে) পাঠাতে পারেন। লেখা পাঠানোর ইমেইল : news.bcysa@outlook.com।